Nov 18, 2014

CSS কোড কপি করে অন্য সাইটের লুক নিজের সাইটে বসিয়ে নিন

আমরা যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ভিজিট করি তখন নিজের সাইট এর জন্য অনেক কিছুই ভাল লাগে। কিন্তু কোড না জানার জন্য আমরা তা করতে পারিনা। আমরা চাইলে আমাদের সাইট এর জন্য এমন অনেক কিছু করতে পারি সহজেই। CSS কোড কপি করে একই ডিজাইন প্রয়োগ করতে পারেন আপনার সাইটে।
Mozilla Firefox বা Google Chrome এ Inspect Element কাজ করে। তাই আপনার ব্রাউজার যদি অন্য কোনটা হয়ে থাকে তাহলে আগে লেটেষ্ট ভারশান ডাউনলোড করে নিন। চাইলে ফায়ারফক্সে FireBug অ্যাড-অন দিয়েও করতে পারেন।
এরপর নিচের নিয়মগুলো অনুসরন করুন(এটি একটি উদাহরণ) :-
১. যে সাইটটি পছন্দ সেটি ওপেন করুন। একই সাথে নিজের সাইটটি new tab এ open করুন।
2. আপনার পছন্দের সাইটের এর ধরুন হেডার ইমেজ পছন্দ। হেডার ইমেজ এর উপর কার্সর রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে view ইমেজ দিয়ে ইমেজটি সেভ করুন। তারপর আপনার মিডিয়া লাইব্রেরীতে এটি যোগ করুন।
৩. এরপর ইমেজটির উপর কারসর রেখে ডান বাটনে কি্লিক করে inspect element কি্লিক করুন।আপনি দেখতে পাবেন সাইটির ডানে Style. CSS সেখানে ক্লিক করুন। দেখতে পাবেন Mozilla editor window টি ওপেন হয়েছে।সেখানে হেডার অংশের CSS কোড টুকু কপি করে আপনার Style.css এর হেডার অংশে কপি করুন।
৪.মিডিয়া লাইব্রেরী ওপেন করে এডিট (Edit)এ ক্লিক করুন।লিঙ্কটি কপি করে হেডার কোডে background url টি যোগ করুন।সেভ বাটনে ক্লিক করুন।
৫. header.php ফাইল ওপেন করে wrapper অংশে নিচের কোড পেস্ট করুন।
৭.এটি একটি উদাহরন ছিল।চাইলে আপনি এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনার হেডার ইমেজটি যোগ করার জন্য Inspect element করে কোড কপি করে আপনার ইমেজ height,width,background url যোগ করে এবং header.php তে wrapper অংশে কোডটি যোগ করে আপনার সাইট রিলোড দেওয়ার মাধ্যমে যোগ করুন আপনার কাঙ্খিত হেডার ইমেজ।
ধন্যবাদ আপনাদের কষ্ট করে পোস্টটি পড়ার জন্য।

Nov 17, 2014

ফেসবুকে জনপ্রিয় হতে চান? জেনে নিন গোপন কিছু ট্রিকস এন্ড কৌশল

আপনি অনেক চেষ্টা করেও তেমন জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারছেন না। আজকাল অনেকেই ফেসবুকে জনপ্রিয় হতে চান, আপনারও কি আছে তেমন কোন ইচ্ছা? তাহলে জেনে নিন ফেসবুকে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাবার ১১টি গোপন টিপস।
পাবলিক অপশনে রাখুন: আপনি হয়তো খুব ভালো ভালো স্ট্যাটাস লেখেন বা নোট/ছবি ইত্যাদি আপলোড করেন, বিভিন্ন ভালো ভালো কন্টেন্ট শেয়ার দেন। কিন্তু এগুলো যদি পাবলিক করা না থাকে তাহলে লোকে দেখবে কীভাবে? আর দেখলে তাঁরা আপনার প্রতি আগ্রহী হবেন কীভাবে? তাই এইসব ব্যাপার পাবলিক সেটিং এ রাখুন।
সুন্দর সুন্দর ছবি আপলোড করুন: একটি সুন্দর মুখের যা আবেদন, সেটা আর অন্য কোন কিছুতেই নেই। ফেসবুকে দ্রুত জনপ্রিয় হবার সবচাইতে সহজ কৌশল হচ্ছে দারুণ সব প্রোফাইল পিকচার আপলোড করা। বা কোথাও ঘুরতে গেলেন, আনন্দের মুহূর্তগুলো শেয়ার করা বন্ধুদের সঙ্গে। দেখেন দ্রুত বাড়ছে জনপ্রিয়তা।
নিজেকে হাসিখুশি মানুষ হিসাবে উপস্থাপন করুন: একজন বিষণ্ণ আর খিটখিটে মানুষের বন্ধু কেউ হতে চায় না। তাই ফেসবুকে নিজেকে হাসিখুশি মানুষ হিসাবে উপস্থাপন করলেই পাবেন জনপ্রিয়তা। আমুদে স্ট্যাটাস দিন, সকলের মজার কথা বলুন। দেখবেন আপনাকে এমনিতেই পছন্দ করছে লোকে।
সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে কথা বলুন: সাম্প্রতিক যে কোন বিষয় হতে পারে আপনার কথা বলার মাধ্যম। খেলা থেকে শুরু করে রাজনীতি, বিনোদন জগত ইত্যাদি পছন্দের যে কোন বিষয় নিজেই স্ট্যাটাস দিন। তাতে অন্যরা খুব সহজেই আপনার সাথে এনগেজ হতে পারবে। ফলে জনপ্রিয়তাও বাড়বে আপনার।
মাঝে মাঝে সমালোচনাও করুন: পৃথিবীতে সবচাইতে কার্যকর পাবলিসিটি কৌশল হচ্ছে নেগেটিভ পাবলিসিটি। শুনতে খারাপ শোনালেও এটাই সত্য। আপনার অপছন্দের কিছু বিষয় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা স্ট্যাটাস দিন। দেখবেন ফ্রেন্ড ও ফলোয়ার দুটোই বাড়ছে।
ভালো কন্টেন্ট শেয়ার করুন: নিজে কিছু লিখতে পারেন না? কোন সমস্যা নেই। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ভালো ভালো কন্টেন্ট শেয়ার করুন নিজের টাইম লাইনে। অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠবে এইসব লেখার প্রতি এবং আপনার জনপ্রিয়তাও বাড়বে।
বিভিন্ন গ্রুপে যোগ দিন: ফেসবুকে আজকাল অনেক ভালো ভালো গ্রুপ আছে। এইসব গ্রপের সক্রিয় সদস্য হয়ে যায়, সকলের সাথে পরিচিয় বাড়ান। সেখান থেকে বেছে বেছে পছন্দের মানুষের অ্যাড করুন। দেখবেন ভারি হচ্ছে আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট।
নিজের প্রতিভার প্রচার করুন: আপনি কি কোন কাজ খুব ভালো পারেন? যেমন রান্না করা, গান, নাচ, ছবি আঁকা, লেখালিখি ইত্যাদি কোন কিছু? তাহলে নিজের সেই প্রতিভা ফেসবুকে প্রকাশ করুন বিভিন্ন ভিডিও বা ছবির মাধ্যমে। নিজের অর্জন থাকলে সেগুলোও তুলে ধরুন। দেখবেন অন্যরা আগ্রহী হয়ে উঠছে আপনার প্রতি।
ফেসবুক সেলিব্রেটিদের সাথে অন্তরঙ্গতা বাড়ান: খুব অল্প সময়ে ফেসবুকে জনপ্রিয়তা চাই? তাহলে তুমুল জনপ্রিয় কয়েকজনের সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব করে ফেলুন। এই মানুষগুলোর কারণে আপনিও হয়ে উঠবেন জনপ্রিয় একজন!
টাইমিং: সঠিক পোস্ট সঠিক সময়ে দেয়াও ফেসবুকে জনপ্রিয় হবার একটা মূল কৌশল। যেমন ছুটির দিনে বা বৃহস্পতিবারের রাতগুলতে ফেসবুকে বেশী সক্রিয় থাকুন। মজার মজার পোস্ট ও স্ট্যাটাস দিন। দেখবেন জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
বাস্তব জীবনের সেলিব্রেটিদের সঙ্গে ছবি পোস্ট দিন: এমন একটি ছবি আপনার কি মারাত্মক উপকারে লাগবে কল্পনাই করতে পারবেন না!

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান করতে না চাইলে অবশ্যই এদিকে দেখুন

আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার অধিকারী ফেসবুক ব্যবহার করছেন প্রতিদিন। শত শত বন্ধুর সাথে যোগাযোগ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। একদিন ফেসবুকে না ঢুকলে ভালো লাগে না। তবে আশংকার বিষয় হলো ফেসবুক যেকোন সময় বিনা নোটিশে আপনার এই সখের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারে।
আর তাই আমাদের সবারই সতর্ক থাকা উচিত এবং জানা থাকা উচিত যে সকল কারনে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে। এই পোস্টে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার অন্যতম কিছু কারন নিয়ে লিখছি।
পর্ণগ্রাফিঃ
এটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার একটি অন্যতম প্রধান কারন। আপনার ফেসবুক প্রোফাইল বা অন্য কোথাও আপনি যদি এই ধরনের কোন ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করেন, তাহলে ফেসবুক আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান করবে কোন আগাম রিপোর্ট অথবা নোটিশ ছাড়া।

ভাষার অপব্যবহারঃ

স্টাটাস আপডেট অথবা ম্যাসেজ আদান-প্রদান এর সময় আপনার ভাষার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। বাজে ভাষা ব্যবহার করলে আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা কেউ আপনার নামে রিপোর্ট করতে পারে এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ভূয়া প্রোফাইলঃ
আপনি যদি আপনার নিজের নামের বদলে কোন সেলিব্রেটি অথবা অন্য কারও নাম ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হবে খুব তাড়াতাড়ি।
হুমকি দেয়াঃ
কাউকে হুমকি দেয়ার জন্য কখনোই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না। এমনকি মজা করার জন্য হলেও না। ফেসবুক এই বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে নেয় এবং খুব দ্রুত অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দেয়।

স্প্যামিং করাঃ

শুধু ফেসবুক না, পুরা ইন্টারনেট জগত এটিকে ঘৃনা করে। আপনার পন্য বা ওয়েবসাইট প্রোমোট করার জন্য ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার না করাই ভালো। তবে একটি নির্দিস্ট সীমা পর্যন্ত এটি করা যেতে পারে যেটি স্প্যামিং এর পর্যায়ে পড়ে না।

অতিরিক্ত বন্ধু রিকোয়েস্টঃ

প্রতিদিন ২০টির বেশি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না। যত কম হয় ততই ভালো। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হবার এটি আরেকটি অন্যতম কারন।
অনেক গ্রুপে জয়েন করাঃ
খুব বেশি গ্রুপে জয়েন না করাই ভালো। ফেসবুক এটি ভাল চোখে দেখে না। আর গ্রুপগুলো থেকে ম্যাসেজ এসে আপনার ইনবক্স ভর্তি হয়ে যাবে প্রতিদিন।
অতিরিক্ত ম্যাসেজঃ
আপনি যদি আপনার বন্ধুদের ওয়াল অথবা ইনবক্সে প্রতিদিন অনেক বেশি ম্যাসেজ পোস্ট করেন, তাহলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর একই ম্যাসেজ বার বার দিতে চাইলে সেখানে কিছুটা পরিবর্তন করে দিন। নাহলে ফেসবুক এটি স্প্যাম হিসেবে ধরবে।
মূলত ফেসবুক ব্যবহারের সময় এই বিষয়গুলোর দিকে একটু খেয়াল রাখলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার তেমন আশংকা থাকবে না। তবে এগুলো ছাড়াও আরও কিছু কারনে ফেসবুক আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান করতে পারে।
ভালো লাগলে নিজের ওয়ালে শেয়ার করুন।

পেনড্রাইভ ফরম্যাট হচ্ছে না?

কাজের খাতিরে পেনড্রাইভের ব্যবহার অনেক। ভাইরাসে সংক্রমিত হলে অনেক সময় পেনড্রাইভ ফরম্যাট করা যায় না। এমন হলে বিকল্প উপায়ে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করে নিতে হবে। প্রথমে পেনড্রাইভ কম্পিউটারে লাগিয়ে সেটির ড্রাইভে ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করে ফরম্যাট করার চেষ্টা করে দেখুন, সেটি ফরম্যাট হয় কি না। না হলে Win key+R চেপে রান চালু করুন। এখানে cmd লিখে এন্টার বোতাম চাপুন। কমান্ড প্রম্পট চালু হলে এখানে format লিখে একটা স্পেস দিয়ে :M লিখে এন্টার চাপুন।
খেয়াল রাখুন এখানে :M হবে কম্পিউটারে পাওয়া আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার। প্রথমবার এন্টার চেপে পরে আরেকবার এন্টার চাপতে হবে। এভাবে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করতে সময় বেশি লাগবে, কিন্তু সত্যিকারের কাজটি হবে। যদি ওপরের নিয়মে সন্তুষ্ট হতে না পারেন, তাহলে আপনার জন্য ভালো হবে আনলকার সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা।
 এই লিংক থেকে সফটওয়্যারটি (৩৯৪ কিলোবাইট) নামিয়ে কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিন।
এবার পেনড্রাইভে ডান ক্লিক করে Unlocker-এ ক্লিক করে পরের বার্তায় Yes চাপুন। আনলকের জন্য উইন্ডো চালু হবে। No action থেকে Delete বেছে নিয়ে ওকে বা আনলক করুন। পেনড্রাইভ কোনো কারণে লক হয়ে গেলে এটি করার প্রয়োজন হবে। যদি লক না থাকে, তাহলে একটি বার্তার মাধ্যমে তা জানিয়ে দেবে। আনলক খুলে নিয়ে পরেরবার আবার চেষ্টা করলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করা যাবে।

ডিলিট হওয়া ফাইল গুলো ফিরিয়ে আনুন ৪ মেগাবাইটের সফটওয়্যার দিয়ে

আমরা ভুল করে অনেক সময় অনেক দরকারী ফাইল কম্পিউটার থেকে সম্পুর্ন ভাবে ডিলিট করে দিই এবং পরে পাওয়ার জন্য আফসোস করতে হয়। আপনি এখন ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করতে পারবেন সহজেই। ফাইল পুনরুদ্ধার করার জন্য অনেক সফটওয়্যার আছে কিন্তু বেশিরভাগ সফটওয়্যার কাজ করেনা ।আজকে খুব ভাল একটা কাজের সফটওয়্যার শেয়ার করব যেটা হল Recuva এই সফটওয়্যার যার দ্বারা সহজেই ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করা যায় ।ভাইরাসের কারনে ডিলিট হওয়া ফাইলও আপনি উদ্ধার করতে পারেন Recuva সফটওয়্যার দিয়ে
এই সফটওয়্যার এর সুবিধা হল > ইচ্ছামত MP3.Mp4,Pdf আলাদাভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়
>ফাইল এর Quality দেখা যায়
>Deep Scan এনাবল করে অনেক আগের ফাইল পুনরুদ্ধার করা যায়
ডিলিট হওয়া ফাইল গুলো ফিরিয়ে আনুন ৪ মেগাবাইটের সফটওয়্যার দিয়ে ডিলিট হওয়া ফাইল গুলো ফিরিয়ে আনুন ৪ মেগাবাইটের সফটওয়্যার দিয়ে
যে ফাইল পুনরুদ্ধার করতে চান সেটার ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে Recover Highlited অপশন এ ক্লিক করবেন

আপনি যা লিখবেন তা আপনার কম্পিউটার আপানকে পড়ে শোনাবে

হ্যাঁ ঘটনা সত্যি আপনি যা লিখবেন তা আপনার কম্পিউটার আপানকে পড়ে শোনাবে। একেবারে শুদ্ধ উচ্চারণে লাইন বাই লাইন আপনাকে পাঠ করে শোনাবে আপনার পিসিই। এজন্য আপনাকে কোনো আলাদা সফটওয়্যার দেয়ার লাগবে না।  শুধুমাত্র নিচের সহজ ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে। উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ সেভেন থেকে শুরু করে উইন্ডোজ ৮ এও কাজ করবে এই মজার ট্রিক্সটি।
ধাপ-১: প্রথমে নোটপ্যাড খুলুন তারপর সেখানে নিচের লেখাগুলো হুবহু কপি করে পেস্ট করুন।
Dim Message, Speak
Message=InputBox(“Enter
text”,”Speak”)
Set Speak=CreateObject
(“sapi.spvoice”)
Speak.Speak Message
ধাপ-২: এবার টেক্টট ফাইলটিকে Speak.vbs নামে ডেস্কটপে সেভ করুন। এক্ষেত্রে সেভ করার আগে ফাইল টাইপসে All Types সিলেক্ট করে নিতে হবে।
ধাপ-৩:  এবার সেভ করা ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন। তাহলে উপরের ছবির মতো একটি উইন্ডো আসবে। সেখানে ইংরেজিতে কোনো কিছু লেখার পর এন্টার চাপ দিন অথবা ওকে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার লেখা পড়ে শোনাচ্ছে কম্পিউটার। তবে হ্যাঁ, লেখাগুলো অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় হতে হবে।

Nov 15, 2014

ডাউনলোড করে নিন Norton Internet Security ২০১৪ ফুলভার্সন

আশা করি সবাই ভাল আসেন।। যাই হোক আজ আপনাদের মাজে ২ টি মজার মাজার অ্যান্টিভাইরাস নিয়ে আসলাম। অনেক এ এই অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করেন, এবার অনেক এ আসেন যারা নতুন তারা এই অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করে নি। যারা ব্যাবহার করেছেন তা হলে তাদের জন্য কিছু করতে পারলাম না, এই টিউনে কিন্তু পরের টিউন করার চেষ্টা করব। যারা নতুন অথবা এই ২ টি অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করেন নি। তারা এই ২ টি থেকে একটি অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করতে পারেন। আমি নিজেই AVAST Antivirus তা ব্যাবহার করি। যাই হোক নিচে অ্যান্টিভাইরাস দুটির লিঙ্ক এবং কিছু বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলঃ

Norton Internet Security 2014 :

Norton একটা জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস অনেক মানুষ এই অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করে। আজ আমি এই অ্যান্টিভাইরাস ফ্রীতে আপনাদের দিব। এই অ্যান্টিভাইরাস এর জন্য একটি Activator আসে যেটার মধ্যমে আপনি খুব সহজে এই অ্যান্টিভাইরাসকে ফুল্ Version করে নিতে পারবেন।
Norton sarkarzone ডাউনলোড করে নিন Norton Internet Security ২০১৪ এবং AVAST Antivirus PRO ২০১৪ ফুলভার্সন
বৈশিষ্ট্য:
  • Stop And Delete viruses, chase and spyware, worms and others.
  • Keep your pc and laptop protected against all sorts of malicious threats.
  • Norton 2014 provides a very deeper quicker Astbaraa technology for  fewer, shorter examtion.
  • Rapid pulse updates each five to fifteen minutes provides the instant protection.
তাই র দেরি না করে এখনি নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করেন নিন।

ডাউনলোড করুনঃ Norton Internet Security 2014

ডাউনলোড করুনঃ Norton Internet Security Activator

ডাউনলোড করে নিন বং AVAST Antivirus PRO ২০১৪ ফুলভার্সন for windows

AVAST Antivirus PRO 2014 :

AVAST একটা জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস অনেক মানুষ এই অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করে। আজ আমি এই অ্যান্টিভাইরাস ফ্রীতে আপনাদের দিব। এই অ্যান্টিভাইরাস এর জন্য একটি Key File আসে যেটার মধ্যমে আপনি খুব সহজে এই অ্যান্টিভাইরাসকে ফুল্ Version করে নিতে পারবেন।
Avast sarkarzone ডাউনলোড করে নিন Norton Internet Security ২০১৪ এবং AVAST Antivirus PRO ২০১৪ ফুলভার্সন
বৈশিষ্ট্য:
  • Intelligent antivirus, anti-spyware, & anti-malware.
  • Run shady files in a virus-proof environment.
  • Secure your financial transactions.
  • Our crowd in the cloud.
  • Cost-effective multi-year licensing
তাই র দেরি না করে এখনি নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করেন নিন।

ডাউনলোড করুনঃ AVAST Antivirus PRO 2014

ডাউনলোড করুনঃ Norton Internet Security 2014 Key File